নিউজ ডেস্ক বাংলার মুখ নিউজ.
গত শুক্রবার কেরালার কোঝিকোড়ের টেবিলটপ রনোওয়েতে ঘটে যাওয়া ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনার জন্য কোনভাবেই দায়ী নয় পাইলট বরং তাদের চেষ্টাতেই বেশি প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এমনটাই দাবি করলেন এনডিআরএফ- এর ডিজি এস এন প্রধান। তার দাবি দুর্ঘটনার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত বিমানের গতি কমানোর চেষ্টা করেন পাইলট দীপক বসন্ত সাঠে। শেষ পর্যন্ত দুর্ঘটনা এড়ানো না গেলেও বিমানের গতি কমে যাওয়ায় অনেকটাই ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় পাইলট এবং কো পাইলট দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও এই দুর্ঘটনায় এখনো পর্যন্ত 18 জনের মৃত্যু সংবাদ পাওয়া গেছে এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি 127 জন।
বিমান দুর্ঘটনার কারণ হিসাবে খারাপ আবাহাওয়া ও প্রচন্ড ঝড়বৃষ্টি কে দায়ী করেছে বিমান সংস্থা। এই বিমানের পাইলটের উপস্থিতি বুদ্ধির জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে বলে জানান বিমান সংস্থা। বিমানটি চালাচ্ছিলেন ক্যাপ্টেন দীপক বসন্ত ও আখিলেশ কুমার। তারা দুবাই থেকে নির্ঝঞ্ঝাটেই কোঝিকোড়ে বিমানটি আনতে সক্ষম হন কিন্তু কেরালার প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টির জন্যরানওয়েতে বিমানটি পিছলে যায়।
বিমান যাত্রীদের বক্তব্য খারাপ আবহাওয়ার দরুন বিমানটি আগে দুবার অবতরণ করার চেষ্টা করলেও প্রতিবারই ব্যর্থ হন পাইলটরা।
বিমান সংস্থা বলেন বড়োসড়ো দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে গেছে যাত্রীরা। গত 10 বছরে এরকম ঘটনা দেখা যায়নি ভারতে।
এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট দীপক বসন্ত দীর্ঘ 22 বছর ধরে ভারতীয় বায়ুসেনায় কর্মরত ছিলেন। নিজের যোগ্যতায় অনেক পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। বায়ুসেনার 17 নম্বর স্কোয়াড্রনের উইং কমান্ডার দীপক বসন্ত সাথে বায়ুসেনার তরফ থেকে,' শোর্ড অফ অনার ' পুরস্কারেও ভূষিত হন। বায়ুসেনা থেকে অবসর গ্রহণের পর এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট হিসেবে যোগ দেন।
অবশেষে যাত্রীদের রক্ষা করতে গিয়ে বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ দিলেন ক্যাপ্টেন দীপক বসন্তও তার সহকর্মী ক্যাপ্টেন অখিলেশ কুমার।